অ্যালবাম আর হাটের নিয়ম
অ্যালবাম আর হাটে ৯০ আর ২০০০-এর জিনিস, খাবার আর জায়গার ছবি দেওয়া যায়; মানুষ বা প্রাণীর ছবি, ব্যক্তিগত তথ্য আর নিষিদ্ধ জিনিস নয়। প্রতিটা পোস্ট একজন মানুষ দেখে তারপর দেখায়, আর আমরা টাকা-পয়সা ধরি না।
যা দেওয়া যাবে
৯০ আর ২০০০-এর দশকের জিনিস, খাবার আর জায়গার ছবি: ক্যাসেট, ডাকটিকিট, মার্বেল, লাটিম, কটকটি, পুরোনো টিভি, স্কুলের মাঠ, নানাবাড়ির ঘাট। সাথে দুই লাইনের গল্প। হাটে সেই সময়ের জিনিস কেনা-বেচার নোটিশ।
যা দেওয়া যাবে না
মানুষ বা প্রাণীর ছবি (নিজেরও না), অন্যের তোলা ছবি, ফোন নম্বর, ঠিকানা বা অন্য ব্যক্তিগত তথ্য, গালি বা কাউকে ছোট করা কথা, বিজ্ঞাপন।
মানুষের ছবি কেন নয়
ছবিতে যাকে দেখা যায়, তিনি হয়তো চান না তাঁর ছবি সবাই দেখুক, আর ছোটবেলার ছবিতে বেশিরভাগই শিশু। তাই অ্যালবাম শুধু জিনিস আর জায়গার। একটা স্বয়ংক্রিয় চেক মানুষ বা প্রাণী খোঁজে, তবু প্রতিটা ছবি একজন মানুষ দেখে তারপর দেখায়।
হাটে বিক্রি নিষেধ
জীবন্ত প্রাণী, অস্ত্র, ওষুধ, মদ-তামাক, নকল জিনিস, প্রাপ্তবয়স্কদের জিনিস, আর বাংলাদেশে যা বেআইনি।
টাকা-পয়সা
শৈশব স্কোর শুধু পোস্ট দেখায়। আমরা টাকা নিই না, রাখি না, ডেলিভারিও দিই না, কোনো জিনিসের দায়ও নিই না। লেনদেন আপনার আর বিক্রেতার মধ্যে: দেখে-শুনে, সামনাসামনি, আগে টাকা না পাঠিয়ে।
রিপোর্ট আর সরানো
প্রতিটা ছবি আর পোস্ট আমরা দেখে তারপর দেখাই। ভুল কিছু চোখে পড়লে “রিপোর্ট” চাপুন: তিনজন রিপোর্ট করলে মন্তব্য বা পোস্ট সাথে সাথে লুকিয়ে যায়, তারপর আমরা দেখি। নিয়ম ভাঙলে পোস্ট সরিয়ে দিই; কেউ বারবার ভাঙলে সেই ফোন থেকে ৭ দিন বা একেবারে পোস্ট বন্ধ। নিজের ছবি বা পোস্ট যেকোনো সময় “আমার ছবি” বা “আমার পোস্ট” থেকে মুছতে পারেন।
হিজিবিজির আঁকা ছবি
হিজিবিজি খেলায় যা আঁকা হয়, তা আমরা কখনো জমা রাখি না: ছবি থাকে শুধু ওই খেলার ফোনে, পালা শেষ হলেই মুছে যায়, আর শেয়ার করা ফলাফলে থাকে শুধু নাম আর স্কোর। শব্দগুলো আমাদের বাছাই করা: শুধু জিনিস, খাবার, খেলা আর জায়গা; কোনো মানুষ বা প্রাণী নয়। নিজেদের খেলায় কে কী আঁকবে, সেটা খেলোয়াড়দের নিজেদের দায়িত্ব।
কিছু সরাতে বলুন
আপনার তোলা ছবি অন্য কেউ দিয়েছে, বা কোনো পোস্টে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য আছে? লিংক আর কারণ পাঠান, আমরা দেখে সরিয়ে দেব।