প্রশ্ন ও উত্তর
শৈশব স্কোর কী?
শৈশব স্কোর হলো নব্বই আর দুই হাজারের দশকে বাংলাদেশে বড় হওয়ার ৫০টা স্মৃতির তালিকা। যেগুলো সত্যিই করেছেন সেগুলোতে টিক দিলে পাবেন নিজের স্কোর আর শেয়ার করার একটা কার্ড।
শৈশব স্কোর কীভাবে গোনা হয়?
যতগুলো স্মৃতিতে টিক দেন, সেটাই স্কোর, ৫০-এর মধ্যে। শতকরা হিসাবে একটা উপাধিও আসে: ২২%-এর কম হলে ‘ডিজিটাল শিশু’, ২২% থেকে ‘অর্ধেক নস্টালজিক’, ৫২% থেকে ‘খাঁটি শৈশব’, ৭৬% থেকে ‘অ্যান্টেনা ঘোরানো কিংবদন্তি’, আর ৯২% থেকে ‘চলন্ত জাদুঘর’।
‘৯০'স কিড’ না ‘২০০০'স কিড’, কীভাবে ঠিক হয়?
শুধু নব্বইয়ের স্মৃতিগুলোর কত ভাগে আর শুধু দুই হাজারের স্মৃতিগুলোর কত ভাগে টিক দিয়েছেন, তা তুলনা করা হয়। দুটোর পার্থক্য ১৫ শতাংশের কম হলে আপনি ‘দুই যুগের সাক্ষী’।
একাউন্ট বা লগইন লাগে?
না। কোনো একাউন্ট, লগইন বা ফোন নম্বর লাগে না। টিকগুলো থাকে আপনার ফোনের ব্রাউজারেই।
আমার টিক কি কোথাও পাঠানো হয়?
রেজাল্ট দেখলে নাম বা পরিচয় ছাড়া শুধু কোন কোন স্মৃতিতে টিক, সেটুকু পাঠানো হয়, যাতে ‘কত শতাংশ মানুষ এটা করেছে’ হিসাব করা যায়। কার্ডে লেখা নাম কখনো পাঠানো হয় না।
৯০ দশকে বাচ্চারা কী খেলত?
মাঠে গোল্লাছুট, দাড়িয়াবান্ধা, কানামাছি, ডাংগুলি, বৌচি আর সাতচাড়া; হাতে লাটিম, মার্বেল আর ঘুড়ি; ঘরে লুডু। শহরে ভিডিও গেমের দোকানে ‘মোস্তফা’, আর বাসায় টিভিতে লাগানো ক্যাসেটের গেম।
নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে কী দেখা হতো?
শুক্রবার বিকেলের বাংলা সিনেমা, ‘আলিফ লায়লা’, ‘মীনা’ কার্টুন আর ‘ইত্যাদি’ ছিল অনেক পরিবারের নিয়মিত আয়োজন।
লোডশেডিং হলে তখন কী করা হতো?
হারিকেনের আলোয় পড়া, গরম থেকে বাঁচতে হাতপাখা, আর রাতে ছাদে বসে গল্প আর তারা গোনা।
কটকটি কী?
কটকটি হলো গুড় বা চিনি দিয়ে বানানো শক্ত, কুড়মুড়ে এক রকম মিষ্টি, যা ফেরিওয়ালারা পুরোনো শিশি-বোতল, টিন বা ভাঙা জিনিসের বদলে দিত।
‘মোস্তফা’ গেম আসলে কোনটা?
ক্যাপকমের ১৯৯৩ সালের আর্কেড গেম ‘ক্যাডিলাকস অ্যান্ড ডাইনোসরস’। খেলার একটি চরিত্রের নাম থেকে বাংলাদেশে এটা ‘মোস্তফা’ নামে পরিচিত।
হিজিবিজি খেলাটা কী?
হিজিবিজি একটা এঁকে বোঝানোর খেলা: একজন একটা শব্দ বেছে আঁকে, বাকিরা আন্দাজ করে কী আঁকা হচ্ছে; যে যত তাড়াতাড়ি ধরতে পারে, তার তত বেশি পয়েন্ট। আড্ডা মোডে এক ফোনেই ২ থেকে ১২ জন খেলা যায়, নেট ছাড়াই; অনলাইনে একটা রুম খুলে লিংক পাঠালে ২ থেকে ৩০ জন যে যার ফোন থেকে খেলতে পারে, লগইন ছাড়া। শব্দ ৩০০টা, শুধু জিনিস, খাবার, খেলা আর জায়গার: লাটিম, হারিকেন, কটকটি, ডাংগুলি। আঁকা ছবি কোথাও জমা থাকে না।
নব্বইয়ের জাদুঘরে কী আছে?
১২টা পুরোনো জিনিস চলন্ত ছবিতে, আর ‘আমাদের অ্যালবাম’: সবার শৈশবের জিনিস, খাবার আর জায়গার ছবি, সাথে তার গল্প।
ছোটদের কীভাবে চ্যালেঞ্জ করব?
রেজাল্ট পাতা থেকে ‘ছোটদের চ্যালেঞ্জ করুন’ চাপুন। লিংকে শুধু আপনার নাম যায়; ছোটরা ১০টা ছবি দেখে উত্তর দেবে আর শেষে স্কোর পাবে।
বন্ধুর সাথে স্কোর মেলাব কীভাবে?
রেজাল্ট পাতায় ‘বন্ধুকে চ্যালেঞ্জ’ চাপলে একটা লিংক তৈরি হয়। বন্ধু সেই লিংকে টিক দিলে দেখা যাবে আপনাদের কত মিল।
কোনো স্মৃতি বাদ পড়লে কী করব?
‘একটা স্মৃতি মিস হয়েছে?’ থেকে জমা দিন। আমরা পড়ে দেখি; বাছাই করা স্মৃতিগুলো সাপ্তাহিক ভোটে ওঠে, আর বেশি ভোট পাওয়াগুলো পরের তালিকায় জায়গা পায়।
৫০টা স্মৃতিতে টিক দিনপ্রতিটা স্মৃতির গল্পনব্বইয়ের জাদুঘরসংখ্যায় শৈশব