অ্যান্টেনা ঘোরানো
ছবি ঝিরঝির করলেই একজন ছাদে, আরেকজন টিভির সামনে। নিচ থেকে চিৎকার: “আরেকটু ঘোরাও... থামো, এবার আসছে!”
ছবি ঝিরঝির করলেই একজন ছাদে, আরেকজন টিভির সামনে। নিচ থেকে চিৎকার: “আরেকটু ঘোরাও... থামো, এবার আসছে!”
ফিতা জট পাকালে বা ঢিলে হলে ক্যাসেটের চাকায় পেন্সিল ঢুকিয়ে ঘোরানো। ব্যাটারি বাঁচাতে রিওয়াইন্ডও হতো এভাবে।
সুতো পেঁচিয়ে এক টানে মাটিতে ছুড়ে দেওয়া। ঘুরতে থাকা লাটিম হাতের তালুতে তুলতে পারলে তুমি ওস্তাদ।
কারেন্ট গেলেই হারিকেন জ্বলত। সবাই এক আলোর চারপাশে বসে পড়া, আর আলো কমে এলে সলতে একটু বাড়িয়ে দেওয়া।
কাঠের ফ্রেমে কালো স্লেট, হাতে চক। অ আ ক লিখে হাত দিয়েই মুছে আবার লেখা, যতক্ষণ না অক্ষর সোজা হয়।
প্রতিটা নম্বরের জন্য আঙুলে চাকা ঘুরিয়ে ছেড়ে দেওয়া। একটা ভুল হলেই আবার গোড়া থেকে, আর মাঝে মাঝে রং নম্বর।
ছক্কা ওঠার জন্য দোয়া, ঘুঁটি কাটা পড়লে চিৎকার, আর হেরে গেলে বোর্ডটাই উল্টে দেওয়া।
সুতোয় কাচের গুঁড়ো আর আঠা মেখে মাঞ্জা দেওয়া, তারপর পাশের ছাদের ঘুড়ির সাথে কাটাকাটি। “ভোকাট্টা!”
দুপুরে গলিতে টুংটাং ঘণ্টা বাজলেই বোঝা যেত আইসক্রিমের গাড়ি এসেছে। তারপর শুরু হতো টাকা জোগাড়ের দৌড়।
টিভিতে গেম না চললে ক্যাসেট খুলে ফুঁ দিয়ে আবার ঢোকানো। কেন কাজ করত কেউ জানত না, তবু সবাই করত।
বাটন ফোনের ছোট্ট পর্দায় সাপকে খাবার খাওয়ানো। লম্বা হতে হতে নিজের লেজেই ধাক্কা, খেলা শেষ।
ঈদে বা বিয়েতে ভিসিআর ভাড়া আসত, সাথে কয়েকটা ভিডিও ক্যাসেট। পুরো পাড়া এক ঘরে বসে সিনেমা দেখত।